আমিরাতে এবার জনপ্রতি ফিতরা ২০ দিরহাম

সংযুক্ত আরব আমিরাতে এবার জনপ্রতি ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ দিরহাম। দুবাই ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স এবং দাতব্য কার্যক্রম বিভাগের এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, আমিরাতে বসবাসরত প্রত্যেক মুসলিমকে ২০ দিরহাম অথবা ২ কেজি ২০০ গ্রাম খেজুর-ধান ফিতরা বাবদ গরিবদের মধ্যে বিতরণ করতে হবে। এই ফিতরা ঈদুল ফিতরের নামাজের আগেই দিতে হবে বলে জানানো হয় বিবৃতিতে।


ঈদুল ফিতরের ফিতরা প্রত্যেক ব্যক্তির ওপর ওয়াজিব। এমন কী ঈদের দিন সূর্য উদয়ের আগে ভূমিষ্ঠ শিশুর জন্যও ফিতরা আদায় করতে হয়। এ ফিতরা ঈদের নামাজের আগেই আদায় করা উচিত।


কেননা গরিব রোজাদার যেন ফিতরার অর্থ দিয়ে ঈদের খুশিতে অংশগ্রহণ করতে পারে। ফিতরা দেয়া কারও ওপর কোনো প্রকার অনুগ্রহ নয়। এটা আমাদের জন্য ইবাদতের অংশ।


সংযুক্ত আরব আমিরাতের আকাশে ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে পুরো ৩০টি রোজা পূর্ণ করে রোববার (২৪ মে) উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর।
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মহামারির কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হবে না। ঈদের নামাজ সবাইকে ঘরে পড়তে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

তবে ঈদের নামাজের ১০ মিনিট আগে মসজিদে মসজিদে তাকবির আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবর, ওয়ালিল্লাহিল হামদ প্রচার করা হবে।


ঈদুল ফিতরের নামাজ ঘরে আদায় করার সঙ্গে ঈদ উদযাপনে পার্টি ও উৎসব করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। কোনো ধরনের গণজমায়েত করলে ১০ হাজার দিরহাম এবং জমায়েতে অংশ নিলে ৫ হাজার দিরহাম জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।


এদিকে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে (বুধবার ২০ মে) থেকে জাতীয় জীবাণুনাশক স্প্রেকরণ কর্মসূচির সময় রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত করা হয়েছে। তবে দেশটির শিল্প এলাকা ও লেবার ক্যাম্প এরিয়াগুলোতে সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা করা হয়েছে। আর বড় বড় মার্কেট ও মলগুলোর খোলা রাখার নতুন সময় সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত করা হয়েছে।


ওই সময় ব্যতীত কেউ বের হলে বা অন্যান্য আইনসমূহ অমান্য করলে ৫০০ দিরহাম থেকে ১ লাখ দিরহাম পর্যন্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
মার্কেট ও মলগুলো খোলা থাকলেও ১২ বছর নিচে এবং ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে যাদের বয়স তাদের প্রবেশে নিষেধ করা হয়েছে। জাতীয় জীবাণুনাশক স্প্রেকরণ সময় ব্যতীত জনসাধারণ বা অধিবাসীকে মাস্ক পরে বাইরে যাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।


এর আগে আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্রস মোহাম্মদ মিজানুর করোনা মোকাবিলায় আমিরাত সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহকে স্বাগত জানিয়ে প্রবাসীদের স্থানীয় আইন-কানুন মেনে চলার আহ্বান জানান।

Source Link

Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!