বিমানের দুর্নীতি কমেছে, মাত্র ৬ মাসেই লাভ ৪২৩ কোটি

বেসরকারী বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো: মাহবুব আলী সংসদে জানিয়েছেন, বিমানের দূর্নীতি ও ব্যয় সংকোচনের জন্য প্রশাসনকে ঢেলে সাজান হয়েছে। যার ফলে বিমানের দুর্নীতি বহুলাংশে কমে এসেছে। ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে বাংলাদেশ বিমানের মোট আয় ছিল ৫ হাজার ৭৯৫ কোটি টাকা, আর ব্যয় হয় ৫ হাজার ৭৭৭ কোটি ১০ লাখ টাকা। ফলে বিমানের নিট লাভ হয়েছে ২১৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা। আবার ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনিরীক্ষিত নিট লাভ হয়েছে ৪২৩ কোটি টাকা।

স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে রবিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের আবুল কালাম আজাদের প্রশ্নের লিখিত জববে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ বিমানের নিজস্ব ১২টি এবং নিজকৃত ৬টি বিমানসহ মোট ১৮টি উড়োজাহাজ আন্তর্জাতিক রুটে ১২টি দেশে ১৭টি এবং অভ্যন্তরীণ রুটে ৭টি স্টেশনে যাতায়াত করছে, যা পূর্ববর্তী যে কোন সময়ের চেয়ে বেশী। এছাড়া বিমানের যাত্রীদের ব্যাগেজ ডেলিভারীর সময় প্রথম ব্যাগেজ ১৮ মিনিট এবং শেষ ব্যাগেজ ৬০ মিনিট করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। যার ফলে যাত্রী সেবার মান বেড়েছে।

সরকারি দলের আনোয়ার হোসেন খানের প্রশ্নের লিখিত জবাবে বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)-এর আওতায় ৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ৫টি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর পরিচালিত হচ্ছে। এরমধ্যে একমাত্র হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লাভজনক অবস্থায় রয়েছে। চট্টগ্রামের হযরত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্রেক ইভেন্ট পয়েন্টে (সম আয়, ব্যয়) আছে। অবশিষ্ট ৭টি বিমানবন্দরের পরিচালন ব্যয়ের চেয়ে আয় অনেক কম। ফলে শুধুমাত্র জাতীয় স্বার্থের বিষয় বিবেচনা করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আয় হতে ভর্তুকি প্রদান করে অলাভজনক বিমানবন্দরসমূহকে পরিচালনা করতে হচ্ছে।

নিউজ সোর্স – ডেইলি জনকণ্ঠ

Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!