নতুন শঙ্কায় সৌদি সহ মধ্যপ্রাচ্যে থাকা প্রবাসীরা

করোনাভাইরাস মহামারির জের ধরে ব্যাপক কড়াকড়ির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে ইতোমধ্যেই বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি শ্রমিক দেশে ফিরে এসেছে ।

আবার অনেকে কাজ না পেয়ে বিদেশেই মানবেতর জীবন যাপন করছে, যার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বিবিসি বাংলাকে বলছেন ইতোমধ্যেই প্রায় চার হাজার ব্যক্তিকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে এবং আরও প্রবাসীকে ফিরিয়ে আনার জন্য একটি তালিকা দিয়েছে সৌদি আরব।

তিনি বলছেন সৌদি আরবসহ তেল নির্ভর অর্থনীতির দেশগুলোতে কর্মসংস্থান পরিস্থিতি আগের মতো ভবিষ্যতে আর নাও থাকতে পারে। তাই শ্রমিকদের বিকল্প শ্রমবাজারে পাঠানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছেন তারা।

“যেসব দেশে শ্রমিক আছে আমরা তাদের বলেছি যে এসব লোকেরা যেন চাকুরি না হারায় কিংবা খাদ্য ও চিকিৎসার সংকটে যেন না পড়ে। আর প্রবাসীদের বলেছি তারা যেন যেখানে আছেন সেখানেই থাকেন। তবে এটা সত্য যে মধ্যপ্রাচ্যে তেলের দাম পড়ে গেছে।

”অনেক দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কমে যাবে। তখন যাতে শ্রমিকরা অন্য দেশে যেতে পারেন সেজন্য অন্যান্য দেশে এভিনিউ খুঁজছি যে কোথায় তাদের পাঠানো যেতে পারে,” বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন যারা ইতোমধ্যেই এসেছেন ও সামনে আসবেন তাদের জন্যও সরকারের দিক থেকে নেয়া হয়েছে বিশেষ পরিকল্পনা।

“যাতে তারা কর্মক্ষম থাকতে পারেন সেজন্য লোন দেয়া হবে। স্কিল ট্রেনিং দিবো যাতে নিজেরা কাজ পান বা উদ্যোক্তা হতে পারেন। তবে আপদ সবসময় থাকবে না। তখন অবস্থার পরিবর্তন হবে ও হয়তো তারা কাজ পাবেন”।

প্রায় আড়াই মাস আগে সৌদি আরব থেকে এসে আর সেখানে ফিরে যেতে পারেনি আবির মোড়ল। মি. মোড়ল বলছেন তার ছুটির শেষ পর্যায়ে এসে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আর কাজে ফেরা হয়নি তার।

মি. মোড়লের মতো অন্তত দু লাখ প্রবাসী শ্রমিক দেশে ফিরে ফিরে এসেছেন গত ১৮ই ফেব্রুয়ারি থেকে ১৮ই মার্চ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে।

Source Link

Facebook Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!